সড়কে পড়েছিল গৃহবধূর লাশ, হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

admin
প্রকাশিত June 24, 2024
সড়কে পড়েছিল গৃহবধূর লাশ, হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

ডেস্ক রিপোর্ট: গাজীপুরের শ্রীপুরে বাড়ির পাশে এক কাঁচা সড়ক থেকে লাইলী বেগম নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পরে স্বামীকে সন্দেহ হলে স্বজনদের দাবির মুখে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ। তবে, এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। সোমবার রাতের দিকে ওই লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এর আগে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের আক্তাপাড়া গ্রাম থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার হয়। গৃহবধূ লাইলী বেগম (৫০) ওই গ্রামের মো. কাইয়ূমের স্ত্রী। স্থানীয় কয়েকটি সূত্র জানায়, দুপুরে স্বামীর বাড়ির পশ্চিম দিকে প্রতিবেশীর বাড়ির টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে বের হয়েছিলেন লাইলী।কিন্তু তার ফিরে আসতে দেরি হওয়ায় বাড়ির লোকজনের সন্দেহ হয়। তারা লাইলীকে খুঁজতে গিয়ে দেখতে পান দুই বাড়ির মাঝখানে কাঁচা সড়কে তার নিথর মরদেহ পড়ে আছে। তাদের ধারণা হয়েছিল লাইলী হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন।স্বাভাবিকভাবে তার দাফনের প্রস্তুতি নেন স্বজনেরা। পরে লাইলীর বড় ভাই মো. রফিকুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেন। লাইলীকে তার স্বামী কাইয়ূম হত্যা করে থাকতে পারে বলে পুলিশের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন তিনি। এই অভিযোগের পর মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি স্থগিত করা হয়। পুলিশ আইনি পদক্ষেপ হিসেবে মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠায়। এ প্রসঙ্গে মাওনা চকপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মশিউর রহমান যায়যায়দিনকে বলেন,’ প্রথমে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ দাফনের জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যান পুলিশকে অনুরোধ করেন। পরে নিহতের ভাইয়ের মুঠোফোনে জানানো অভিযোগের ভিত্তিতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। রিপোর্ট হাতে পেলে উর্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সুত্র:যায়যায়দিন